ঢাকাWednesday , 25 May 2022
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বানিজ্য
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্রাইম নিউজ
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. জাতীয়
  8. বিনোদন
  9. বিভাগের খবর
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ সংবাদ
  12. সারা বাংলা

বরিশালে জমে উঠছে মাছ ধরার ফাঁদ বিক্রির হাট

Barishal RUPANTOR
May 25, 2022 8:46 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল। জ্যৈষ্ঠের দাবাদাহের সাথে মাঝে মাঝে হালকা বর্ষণে বর্ষা তার আগাম আগমণ বার্তা জানিয়ে দিয়েছে। বর্ষা আসতে না আসতেই ইতিমধ্যে দখিণের উপকূলীয় জনপদের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধিতে খাল-বিলসহ ফসলের মাঠ নতুন পানিতে এখন টইটুম্বুর।

নতুন পানিতে ঘুরছে নানা প্রজাতির মাছ। এ সুযোগে গ্রামের মানুষ বিভিন্ন কৌশলে মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। তাই জমে ওঠেছে গ্রাম অঞ্চলের মাছ ধরার ফাঁদ চাঁই-বুছনা, গড়া, চাক জাল (মাছ ধরার ফাঁদের আঞ্চলিক বিশেষ নাম) কেনাবেচার হাট।

 

মাছ ধরার সহজ কৌশল চলাচলের পথে পেতে রাখা ফাঁদ। তাই নদী মাতৃক এ অঞ্চলে বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন বাঁশ দিয়ে তৈরি চাঁই, বুছনা, গড়া, চাকজালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন ফাঁদ তৈরি এবং কেনা-বেচায় ধুম পড়ছে।

ফলে মাছ ধরার ফাঁদ তৈরি করতে সকাল-সন্ধ্যা ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। বাঁশ কাটা, শলাকা, সুতা ও এক প্রকার লতা দিয়ে ফাঁদ বোনা (তৈরি) করা হয়। এ ফাঁদ দিয়ে চিংড়ি, পুঁটি, খৈলশা, সিং, ট্যাংরা ও পাবদা মাছ শিকার করা হয়। জানা যায়, মৌসুমে মাছ ধরার উপকরণ চাঁই, বুছনা, চড়গড়া ও পলো তৈরির সাথে জড়িয়ে রয়েছে এ অঞ্চলের শতাধিক পরিবারের জীবন-জীবিকা।

 

সরেজমিরে দেখা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, আগাইলঝাড়া, উজিরপুর, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদী, বানারীপাড়া, গৌরনদী সহ দখিণ জনপদের প্রতিটি জেলা-উপজেলার হাট বাজারগুলোতে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা মাছ ধরার ফাঁদ কিনে থাকেন।

 

কারিগররা ট্রলার, নৌকা ও ভ্যানবোঝাই করে হাটে বিক্রির জন এসব উপকরণ নিয়ে আসেন। দূরদূরান্ত থেকে মৎস্য শিকারীরা এসব মাছ ধরার এসব উপকরণগুলো কিনতে আসে এখানে। জিনিসের মান বুঝে চাঁই প্রতিজোড়া সাড়ে ৩০০ শত থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা বিক্রি হয়। বুছনা জোড়া প্রতি বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। চাক জাল বিক্রি হয় এক একটি ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। কাঠালিয়া উপজেলার ফাঁদ তৈরির কারিগর পরিমল মন্ডল জানান, একটি বাঁশের দাম ১৫০-২০০ টাকা।

 

একটি বাঁশ থেকে কমপক্ষে ৬-৭টা চাই, বুছরা হয়। দিনে ৩ থেকে ৪ টা তৈরি করা যায়। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে হচ্ছে। গৌরনদীর মাহিলারা বাজারে চাই ও বুছনা কিনতে আসা মোঃ হাসান বলেন, চাই ও বুছনাা পাতলে চিংড়ি, বোয়াল, আইর, বাইম, বাইল্যা টেংড়াসহ বিভিন্ন রকমের দেশি মাছ ধরা পরে। পরিশ্রমও কম। একবার চাই ও বুছনা পেতে প্রতিদিন সকালে দেখতে হয় মাছ পরেছে কি না। তা ছাড়া বাজারে এসব উপকরণ দিয়ে দেশীয় ধরা মাছের চাহিদাও থাকে বেশি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।