ঢাকাSaturday , 7 May 2022
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বানিজ্য
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্রাইম নিউজ
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. জাতীয়
  8. বিনোদন
  9. বিভাগের খবর
  10. রাজনীতি
  11. সর্বশেষ সংবাদ
  12. সারা বাংলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩১ লাখ টাকার কালভার্টে শুকানো হয় গোবর

Barishal RUPANTOR
May 7, 2022 7:33 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনকাষায় বিজিবির টহল ও কৃষকদের মাঠে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

মাসুদপুর বিজিবি ক্যাম্পের পাশে খালের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। কালভার্টটি নির্মাণ করতে খরচ হয় ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৪১৭ টাকা।

তবে সেতুটির অপর পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় কালভার্টটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে নির্মানের পর থেকেই।

বর্তমানে স্থানীয় গৃহীনিরা কালভার্টটিতে গোবর শুকানোর কাজে ব‌্যবহার করছেন। স্থানীয়রা জানান- সাহাপাড়া, তারাপুর, ঠুঠাপাড়া, মুন্সিপাড়াসহ বেশ কয়েকটি মহল্লার কৃষকরা কালভার্টটির ওপারে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে ধানসহ অনান্য মৌসুমি ফলন চাষাবাদ করেন।

এছাড়াও কৃষি জমির পাশেই ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা হওয়ায় বিজিবির টহলের সুবিধার্থে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়।

কালভার্টটি যেখানে নির্মাণ করা হয়েছে তার এক পাশে কাঁচা রাস্তা। অপর পাশে ডোবা থাকায় সেখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা ছিল।

তবে নির্মাণের এত বছর পার হলেও তা সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। এ কারণে কালভার্টটি কোনো কাজেই আসেনি। কালভার্টের ওপর গোবর শুকিয়ে জ্বালানি তৈরি করা হচ্ছে।

মুন্সিপাড়া এলাকার আব্দুল মাবুদ জানান, সারাবছর খালটিতে পানি থাকে। গ্রীষ্মকালে অল্প কিছু দিনের জন্য পানি কম থাকে।

ঠুঠাপাড়া এলাকার কৃষক মুরসালিন জানান, মাসুদপুর বিজিবি ক্যাম্পের পাশে খালের ওপর দিয়ে যে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি ভালো উদ্যোগ ছিল।

অল্প সময়ে নিজেদের কৃষি জমিতে যাতায়াত করতে পারত কৃষকরা। এছাড়াও সীমান্তে চোরাচালান রুখতে টহলও দিতে পারত বিজিবি।

কিন্তু সংযোগ সড়কের অভাবে যে কাজে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছিল সে কাজে আসছে না। তিনি বলেন, ‘পাশেই একটা কাঁচা রাস্তা আছে। আপাতত ওই রাস্তা দিয়েই সবাই যাতায়াত করছে।

এতে কয়েক ঘণ্টা বেশি সময় ব‌্যয় হয়। তবে জমির ফসল ঘরে তুলতে এ ছাড়া আর কোনো উপায়ও নাই। কালভার্টির অপর পাশে মাটি ভরাট করে সংযোগ সড়ক বানানো হলে এলাকার কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবে।’

মনাকষা ইউনিয়নের দফাদার খাইরুল আলম জানান, মাসুদপুর বিজিবি ক্যাম্পের পাশে যে কালভার্ট নির্মাণ হয়েছে, সেটি প্রথম থেকেই অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

এখন কালভার্টটি গোবর শুকানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসে না।

তারাপুরের খাট্রাসপাড়া (৮নং ওয়ার্ড) এলাকার গ্রামপুলিশ জোহরুল ইসলাম জানান, যখন থেকে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে, তখন থেকেই এরকম অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

কালভার্টির একপাশে রাস্তা আছে, আরেক পাশে নাই। অপর পাশে রাস্তাটি বালুভরাট দিলেই কালভার্টির রাস্তা চালু হয়ে যাবে।

মনাকষা ইউনিয়ের ৮নং ওয়ার্ডের সদস‌্য সমির উদ্দিন জানান, ২০১৪ সালে বিজিবি আর কৃষকদের যাতায়াতের কথা ভেবে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়।

এখন আর এ রাস্তা দিয়ে কৃষকরা ফসল নিয়ে যাতায়াত করে না, প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে কৃষকরা বাড়িতে ফসল আনে।

তিনি বলেন, ‘মনাকষা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মির্জা শাহাদাৎ হোসেনকে এ কালভার্টটি অপর পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য একাধিকবার বলেছি।

বাজেট না থাকায় কালভার্টটি নিয়ে আর কাজ করা হয়নি। তবে কালভার্টটি দুপাশে রাস্তা হলে, কৃষকরা অনেক লাভবান হবেন।’

এ বিষয়ে কথা বলতে মনাকষা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মির্জা শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়।

তবে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।